Blog

Blog

মাসুদ রানা : ঘোস্ট রাইটার

রানার বুকের মধ্যে কেন জানি হু হু করা অনুভূতি হচ্ছে। মনের পর্দায় চকিতে এক ঝলক ভেসে উঠল সোহেল, সোহানা, রূপা, গিলটি মিয়া, রাঙার মা, এমনকি কবির চৌধুরীর চেহারাও।

Blog

লেখকের ইন্টারভিউ

আমি দুর্বল গলায় বললাম, ‘শুধু নিজের নামটা লিখি? বইয়ের নামটা থাক। বইটা আসলে খুব বেশি পদের কিছু না। ফালতু ধরনের বই। এটা নিয়ে কথা বললে লোকে হাসাহাসি করবে।’

Blog

দূর-সম্পর্কের বান্ধবীরা

কিছুক্ষণ পরেই আশ্চর্য হয়ে খেয়াল করে দেখি, আসলে নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে কথাবার্তা হচ্ছে না। প্রত্যেকেই একসঙ্গে নানা বিষয়ে কথা বলছে। বিষয়বস্তু বা বক্তা বা শ্রোতা কোনোটাই নির্দিষ্ট নয়।

Blog

একটি প্রস্তুতির গল্প

আমি যে টেলিভিশন স্টেশনে কাজ করতাম, সেখানে একবার পয়লা বৈশাখের আগে-আগে আমাকে ‘বৈশাখি আনন্দ মেলা’ ধরনের একটা বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানে মূল উপস্থাপকের সহযোগী হিসেবে কাজ করার জন্যে বলা হলো।

Blog

অপদার্থ ব্যক্তির বাজারসদাই

বাজার-সদাই করার কাজে আমার অদক্ষতা, অপদার্থতা ও অজ্ঞানতা সীমাহীন পর্যায়ের। আমার যখন অতি অল্প বয়স, তখনই বাসার লোকজনের কাছে এ বৈশিষ্ট্যটি ধরা পড়ে। ফলে অনেক দিন পর্যন্ত আমাকে বাজারে যেতে হয়নি।

Blog

জার্নি বাই অ্যারোপ্লেন

এমন না যে লোকজন ইচ্ছা করলেই উড়োজাহাজের ককপিটে লাফ দিয়ে উঠে বসতে পারে কিংবা ককপিটের প্রবেশাধিকার সবার জন্যে উন্মুক্ত; কিন্তু বাংলাদেশ বিমানে অতি আপনজন প্রকৃতির প্রভাবশালী পাইলট বন্ধুবান্ধব থাকায়, আমাদের মধ্যে কারও কারও আগে থেকেই বোয়িং অথবা ফকার অথবা এয়ারবাসের ককপিটে চড়ে আকাশ-ভ্রমণের সুযোগ হয়েছিল।

Blog

রুদ্ধশ্বাস সূর্য উৎসব

সারেংয়ের চেহারা ডাকাত দলের সর্দারের মতো। সেও কথাবার্তা প্রায় বলে না বললেই চলে। মাঝেমধ্যে চোখ সরু করে ঠান্ডা দৃষ্টিতে তাকায়। দেখলে বুক শুকিয়ে যায়। তিনজনের মধ্যে একমাত্র তাকেই মনে হলো জাহাজ চালানোর বিষয়ে পরিপূর্ণ মনোযোগ আছে। মুখচোখ পাথর বানিয়ে সে সারাক্ষণ স্থির-দৃষ্টিতে পানির দিকে তাকিয়ে থাকে। কেউ এসে ভালোমন্দ প্রশ্ন করলেও, ঠান্ডা গলায় তার জবাব দিয়ে যায়। কিন্তু পানি থেকে একবারের জন্যে চোখ সরায় না।

Blog

রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস

আমি আরেকবার রিফ্রেশ দিতেই দেখি ইন্টারনেট আবার স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে। তাড়াতাড়ি ‘ম্যারিড উইথ’ অপশন খুঁজে বের করে এডিট বাটনে ক্লিক করলাম। কাজ হলো না। আবার ক্লিক করলাম। কাজ হলো না। রিফ্রেশ দিয়ে আবারও ক্লিক করার চেষ্টা করলাম। এবারও কোনো প্রতিক্রিয়া নেই।

Blog

অপরূপা (কিন্তু রাগী) ব্যাংক কর্মকর্তা

কোনো এক বিচিত্র কারণে আমাকে দেখামাত্র এইসব সেবা কেন্দ্রে যারা বসা থাকেন, তাদের চোয়াল শক্ত হয়ে যায়, চোখে-মুখে রাজ্যের বিরক্তি আর বিতৃষ্ণা এসে ভর করে।

Blog

শিলংকাণ্ড

আমি আবার আমার সহযাত্রীদের দিকে তাকালাম। সুসংবাদ শুনে তারা কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি, দুঃসংবাদেও তাদের কারও মধ্যে কোনো দুঃখ-বেদনা নেই। দিনভর নানাবিধ ধকল সামলাতে গিয়ে সবাই সম্ভবত মানবিক সকল অনুভূতি হারিয়ে খাঁটি রোবটে পরিণত হয়েছে।

Scroll to Top